twitter



খানিক আগেই আউট হয়ে যাওয়া এক ব্যাটসম্যান প্যাভিলয়নে বসে দেখছিল তার দল ক্রমশই হেরে যাচ্ছে। খেলা দেখতে দেখতে সে মুখ গোমড়া করে বসে আছে, এমন সময় তার এক বন্ধু এসে কানে কানে বলল, দোস্ত, একটা খুবই খারাপ খবর আছে, তোর বাড়িতে আগুন লেগে সারা বাড়ি পুড়ে ছাই, তোর ছেলে-মেয়ে-বৌ রাস্তার ওপরে বসে হাপুস নয়নে কাঁদছে!
ব্যাটসম্যান বিষণ মুখে তার দিকে ফিরে বলল, আমি এর থেকেও একটা খারাপ খবর তোকে দিতে পারি! আমাদের লাস্ট ব্যাটসম্যান এইমাত্র আউট হয়ে গেল!

প্রথম বন্ধুঃ আমি কখনো পুলিশের মার খাইনি।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ আমি প্রায় রোজই খাই।
প্রথম বন্ধুঃ বলিস কিরে?
দ্বিতীয় বন্ধুঃ কেন, জানিস না, আমার আব্বু একজন পুলিশ অফিসার?

দীপ্রঃ জানিস মিশু, আমার বাবা না ভীষণ ভীতু।
মিশুঃ তুই কী করে বুঝলি?
দীপ্রঃ যখনই রাস্তা পার হয়, তখনই আমার হাত শক্ত করে ধরে, আর বলে, হাত ছেড়ো না।

সাগরঃ শুনেছিস, সেই লেখক ভদ্রলোক গাড়িচাপা পড়ে মারা গেছেন।
আমীরঃ কোন লেখক?
সাগরঃ ওই যে, যিনি ‘পায়ে হেঁটে নিরাপদে রাস্তায় চলার নিয়মাবলি’ বইটা লিখেছিলেন।

প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য দুই সৈনিক দুটি বোমা নিয়ে গাড়িতে করে যাচ্ছিল। একটি বোমা ছিল একজনের কোলে। সে চালক সৈনিককে বলল, ‘আস্তে চালাও, যেকোনো মুহূর্তে বিস্কোরণ ঘটতে পারে।’
চালক সৈনিক আশ্বস্ত করল, ‘চিন্তা কোরো না, গাড়ির পেছনে আরেকটা বোমা তো আছেই।’

চীনারা বাচ্চাদের নামকরণ কীভাবে করে জানেন? বাচ্চা হলে নাকি তারা ঘরের হাঁড়িকুড়ি, বাসনপত্র সব আকাশে ছুড়ে দেয়। তারপর ওগুলো একটা একটা করে পড়তে থাকে। কোনোটা ‘ট্যাং’ শব্দে পড়ে, কোনোটা ‘চ্যাং’ আর কোনোটা ‘প্যাং’ শব্দে···। ওই শব্দ থেকে তারা একটা নাম পছন্দ কের নেয়।


দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে-

প্রথম বন্ধুঃ আচ্ছা, বল তো পৃথিবীতে সবচেয়ে বাচাল কে?
দ্বিতীয় বন্ধুঃ কে?
প্রথম বন্ধুঃ ঘড়ি! সব সময় টক টক···।

পম্পিঃ বাবলু, তোর গরম লাগলে তুই কী করিস?
বাবলুঃ কী আবার করব? এসির পাশে গিয়ে বসি।
পম্পিঃ তাতেও যদি তোর গরম না কমে?
বাবলুঃ তখন এসি অন করি।

রতন তার বন্ধুকে ডেকে বললেন, ওরে, তোর মেয়ে সুইটির অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে, এইমাত্র খবর এসেছে।
বন্ধুটি এক কথা শুনেই দুঃখের চোটে দশতলার জানালা থেকে ঝাঁপ দিল। যখন সে আটতলার কাছে এল, তখন তার মনে হলো, তার তো কোনো মেয়েই নেই! যখন ছয়তলায় এল তখন মনে পড়ল, তার তো বিয়েই হয়নি। আর যখন সে একতলার কাছাকাছি এল, তখন তার মাথায় এল, আরে, আমার নাম তো জসবিন্দর সিংহ!

রহিমঃ তুই নাকি টাকা ধার নিয়েছিস জহিরের কাছ থেকে।
করিমঃ হ্যাঁ, প্রয়োজন হয়েছিল তাই।
রহিমঃ তা এখন টাকা ফেরত দিচ্ছিস না কেন?
করিমঃ প্রয়োজন বোধ করছি না বলে।


বিখ্যাত বক্তাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, মৃত্যুর আগে তাঁর কিছু বলার আছে কি না। তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘আমি এখানে মরতে এসেছি, ভাষণ দিতে নয়!’