twitter



চুরির অপরাধে আসামিকে দণ্ড দেওয়ার আগে বিচারক জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কিছু বলার আছে?
আছে স্যার, আমাকে কেন দণ্ড দিচ্ছেন? দোষ তো আমি করিনি, করেছে আমার হাত। সে শরীরের অন্য অংশগুলোর অমতে জানালা দিয়ে নিজেকে গলিয়ে ঘুমন্ত মেয়েটার গলা থেকে সোনার হারটা তুলে নিয়েছে। শরীরের অন্য অংশ তো এর জন্য দায়ী হতে পারে না! তারা কেন শাস্তি পাবে?
খাঁটি কথা, বিচারক মুচকি হেসে বললেন, ঠিক আছে আমি তোমার ওই হাতকে ছমাসের কারাদণ্ড দিচ্ছি। শরীরের অন্য অংশের যাওয়ার দরকার নেই।
ধন্যবাদ স্যার, এই বলে আসামি ওর কাঠের হাতটি খুলে টেবিলে রেখে বাকরুদ্ধ বিচারককে বলল, এই রইল হাত। ছমাস পরে এসে নিয়ে যাব স্যার!


ওস্তাদ চোর তার চেলাকে হাতেকলমে শিক্ষা দিতে এক গৃহস্থবাড়িতে ঢুকেছে চুরি করতে।

অনেক কায়দা করে ঘরে ঢুকে অন্ধকার কিছু একটার ধাক্কা লেগে শব্দ হল-ঠং।
গৃহস্থ ঘুমের ঘোরে বলে উঠলেন-কে রে?
ওস্তাদ চোর সঙ্গে সঙ্গে বিড়ালের গলা নকল করে ডেকে উঠল- ম্যাঁও। গৃহস্থ বিড়াল ভেবে আবার চোখ বুজলেন।
এরপর চ্যালা চোরের হাতে লেগে কী একটা পড়ে ঝন ঝন শব্দ করে উঠল।
গৃহস্থ আবার বললেন, কে রে? কে ওখানে?
চ্যালা চোর সঙ্গে সঙ্গে বুদ্ধি করে বলল, হুজুর, আমিও বিড়াল।


এক গাঁয়ের এক চোর একটা সাইকেল চুরি করে বাজারে নিয়ে গেল বিক্রি করতে। এক টাউট লোক এসে সাইকেলটা দরদাম করল কিছুক্ষণ। তারপর ‘দেখি তোমার সাইকেলটা কেমন চলে’ বলে সাইকেলে চড়ে প্যাডেল মেরে একেবারে হাওয়া।

শুকনো মুখে বাড়ি ফিরছিল চোর। গাঁয়ের যারা তাকে সাইকেল বিক্রি করতে নিয়েযেতে দেখেছিল তারা জানতে চাইল, কি, সাইকেল বিক্রি করে কত লাভ হলো?
চোর বলল, লাভ হয়নি; যে দরে কিনেছিলাম সেই দরেই বেচেছি
0 comments Labels:


এক গরিব লোকের ঘরে চোর এসে আতিপাতি করে খুঁজে, নিয়ে যাওয়ার মতো কিছুই পেল না। হতাশ হয়ে চোর যখন চলে যাচ্ছে-
লোক : (শুয়ে শুয়ে) দরজাটা বন্ধ করে যেও।
চোর : (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) দরজা খোলা থাকলেও সমস্যা নেই। আপনার ঘরে কেউ ঢুকবে না।