twitter


চতুর্থ শ্রেণীর বিজ্ঞান ক্লাস চলছে। স্যার উদ্ভিদ নিয়ে আলোচনা করছেন। এক ছাত্রকে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকতে দেখলেন।
স্যারঃ এই ছেলে, তুমি বলো তো, কোন জীব নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করে?
ছাত্রঃ আমার আম্মু।

এক স্কুল শিক্ষক স্কুলের বাইরে বসে ছিলেন। এমন সময় তাঁর সামনে কাঁচুমাচু হয়ে একটি ছেলে এসে জানাল, সে নদীতে কুলি ফেলেছে এবং এর জন্য সে ক্ষমা করতে চায়। স্কুল শিক্ষক বললেন, ‘এ আর এমন কী, নদীর পানি সামান্য ময়লা হতে পারে হয়তো, কিন্তু এর জন্য ক্ষমা চাওয়া জরুরি নয়।’
কিন্তু ছেলেটি নাছোড়বান্দা। অবশেষে স্কুল শিক্ষক তাকে দুটো উপদেশ দিয়ে বিদায় করলেন। কিছুক্ষণ পর আরেকটি ছেলে এসে নদীতে কুলি ফেলার কারণে তওবা করে গেল। তারপর আরেকজন। স্কুল শিক্ষক বেশ অবাক হলেন। এমন সময় চতুর্থ জন প্রবেশ করল। স্কুল শিক্ষক বললেন, ‘তুমিও কি নদীতে কুলি ফেলে এসেছ?’ চতুর্থজন রাগে চিৎকার করে উঠল, ‘রাখেন আপনার জ্ঞানের কথা। আমিই কুলি। পাশের স্টেশনে কাজ করি। তিন বদমাশ ছেলে আমাকে ধাক্কা দিয়ে পানিতে ফেলে দিয়েছে। তাদের এদিকে আসতে দেখলাম মনে হয়।’

‘তাড়াতাড়ি করো সবাই, দেরি হয়ে যাচ্ছে।’ শিক্ষক তাঁর ছাত্রদের তাড়া দিয়ে বললেন।
‘এত তাড়া কেন, স্যার!’ একজন ছাত্র জিজ্ঞেস করল।
স্যার বললেন, ‘আমরা দেরি করলে পরের ক্লাস মিস করব।’
এক ছাত্র বলে উঠল, ‘স্যার, আপনার তাড়া থাকলে আপনি আমাদের ছাড়াই চলে যান।’