twitter

বাবা: পল্টু, তুই আবার স্কুল পালিয়ে ফুটবল খেলতে গিয়েছিলি?
পল্টু: না, বাবা। বিশ্বাস করো, আমি সত্যি বলছি।
বাবা: উঁহু, আমার বিশ্বাস হয় না।
পল্টু: আমি ফুটবল খেলতে যাইনি, বাবা, প্রমিজ! এই দেখো, প্রমাণ হিসেবে আমার ব্যাগে ক্রিকেট বল আছে!
ব্যাটসম্যান, ক্রিকেটার এবং ক্রিকেট-সংশ্লিষ্ট কতজন যে ক্রিকেট নিয়ে কত মজার মজার কথা বলেছেন তার ইয়ত্তা নেই। বিশ্বকাপ ক্রিকেট উপলক্ষে সেসব নিয়েই আমাদের এই ধারাবাহিক আয়োজন।
 বলটা এত উঁচুতে উঠেছিল যে সেটা একজন এয়ার হোস্টেসকে সঙ্গে করে নিচে নামতে পারত।
নবজোত সিং সিধু
ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার


ক্রিকেটারের ছেলে বলছে, ‘মা! মা! দেখে যাও! বাবা একের পর এক ছক্কা হাঁকাচ্ছে!’
ক্রিকেটারের স্ত্রী বলল, ‘গিয়ে ভালো করে দেখ্ গাধা! ওটা নিশ্চয় কোনো টিভির বিজ্ঞাপন!’

ক্রিকেটের ক্ষেত্রে ব্যবহূত কিছু কথা ও শব্দ শুনলেই আমরা নেগেটিভ ধারণা পোষণ করে বসে থাকি। অথচ চাইলেই আমরা আমাদের ধারণাকে পজিটিভ বানাতে পারি। সেটা কীভাবে,
  • হার মানেই পরাজয় নয়। হতে পারে গলার হারও। কাউকে হার উপহার দিয়ে কোনো দল খেলা শুরু করতেই পারে। এটা নিতান্তই আন্তরিকতা।
  • সাজঘরে ফিরলেন অমুক খেলোয়াড় সাজঘরে ফেরা মানেই আউট হয়ে যাওয়া নয়। হতে পারে সেটা মেকআপ রুমে ফেরা। একজন খেলোয়াড় এখানে বসে হালকা রূপচর্চা করতেই পারেন।
  •  একটার পর একটা উইকেট পড়ছে উইকেট মানেই যেহেতু খেলোয়াড়, অতএব ‘উইকেট পড়ছে’ কথাটা শুনলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। উইকেট পড়ছে বলতে খেলোয়াড়েরা বসে বসে বই বা পত্রিকা পড়ছেন, এটাও বোঝানো হতে পারে।
  • অমুক দল এখন চাপের মুখে , দল চাপের মুখে শুনলে মন খারাপ হতেই পারে। কিন্তু এই চাপ যদি হয় গরুর মাংসের চাপ, তাহলে অর্থটা কী দাঁড়ায়, ভাবুন। চাপের মুখে কোনো দল থাকা মানে মাংসের চাপের সামনে খেলোয়াড়েরা আছেন। তাঁরা এখন মাংসের চাপ খাবেন।
  • ব্যাটে-বলে হলো না, তাই বল সীমানার বাইরে গেল না,বল সীমানার বাইরে যায়নি বলে হতাশ হওয়ার কারণ নেই। বল যদি এই সীমানা অর্থাৎ বাংলাদেশের সীমানার বাইরে চলে যেত, তাহলে কি বলটা আনা যেত? বিএসএফ গুলি করে বসত না?
  • ম্যাচ জেতার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে,একটা ম্যাচের আর কতই বা দাম। এক টাকা, বড়জোর দুই টাকা। অতএব, ম্যাচ জেতার সম্ভাবনা না থাকলেও কষ্ট পাওয়ার কিছু নেই।
  • তিন তিনটি উইকেটের পতন,উইকেট ভেঙে দেওয়া মানে কিন্তু স্টাম্প ভেঙে দেওয়া। তার মানে, স্টাম্পকে উইকেট বলা হয়। তো উইকেটের পতন শুনলেই খেলোয়াড় আউট হয়ে গেছে, এটা ভাবার কোনো কারণ নেই। উইকেট তো এমনিতেও মাটিতে পড়ে থাকতে পারে।
  • রান আউট, প্লেট থেকে রান আউট হতেই পারে। মানে, রান সরিয়ে নেওয়া হতেই পারে। কারণ, সব সময় মাছ-মাংস খেলে শরীর সুস্থ থাকে না। শাক-সবজি খেতে হয়।

বোলারের বেশ কয়েকটি আপিল নাকোচ করে দেওয়ার পর বোলার বললেন আম্পায়ারকে, ‘তোমার কি এক মিনিট সময় হবে?’
আম্পায়ার: হ্যাঁ।
বোলার: ঠিক আছে। এখন ঝটপট আমাকে বলো তো, ক্রিকেট সম্পর্কে তুমি কী কী জানো?!


ক্রিকেটপাগল স্বামী প্রতি ছুটির দিনেই ক্রিকেট খেলতে মাঠে ছোটেন।
স্ত্রী: আমার মনে হয়, যে ছুটির দিনে তুমি বাসায় থাকবে, সেদিন আমি খুশিতে মারাই যাব।
স্বামী: আমাকে ঘুষ দেওয়ার লোভ দেখিয়ে লাভ হবে না!


মোকলেস বহু সাধ-সাধনা করে এসেছে ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলা দেখতে।
মোকলেসকে অনেকক্ষণ ধরে স্টেডিয়ামে বসে থাকা দেখে এক নিরাপত্তাকর্মী বললেন, ‘কী ভাই, ম্যাচ তো অনেক আগেই শেষ হয়েছে। আপনি খালি খালি স্টেডিয়ামে বসে আছেন কেন?’
মোকলেস বলল, ‘আমি তো খেলার হাইলাইটস দেখতে বসে আছি।


ক্রিকেট ম্যাচ শেষ করে বিলটু তার বন্ধু সঞ্জুর সঙ্গে কথা বলছে—
সঞ্জু: কী রে, এতক্ষণ কোথায় ছিলি?
বিলটু: ক্রিকেট খেলে আসলাম।
সঞ্জু: তা তুই কত রান করেছিস?
বিলটু: অল্পের জন্য সেঞ্চুরিটা করা হলো না।
সঞ্জু: কেন?
বিলটু: আর বলিস না! বিপক্ষ দল দুর্দান্ত এক বোলার নিয়ে এসেছিল।
সঞ্জু: কী করেছে সেই বোলার?
বিলটু: আরে, মাত্র ৯৯ রান বাকি থাকতেই আমার উইকেটটা নিয়ে নিয়েছে ওই বোলার।


স্ত্রী: এ্যাই, খেলার চ্যানেল পাল্টাও, আমি এখন রেসিপির অনুষ্ঠান দেখব।
স্বামী: রেসিপির অনুষ্ঠান দেখে কি লাভ, তুমি কোনো দিন ওসব রান্না করবে নাকি?
স্ত্রী: এই বুড়ো বয়সে তুমিই বা ক্রিকেট খেলা দেখ কোন আক্কেলে?



শারজায় ওয়ান-ডে ক্রিকেট সিরিজ ভারত গো-হারা হেরে দেশে ফিরেছে। লজ্জায় কেউ মুখ দেখাতে পারছে না। সবাই বাড়িতে লুকিয়ে বসে থাকে। শ্রীকান্ত আর থাকতে না পেরে দাড়িগোঁফ লাগিয়ে শিখ পাঞ্জাবি সেজে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ল। খানিক দুর যাবার পর একজন মহিলা জিজ্ঞেস করল, এই যে শ্রীকান্ত, কোথায় যাচ্ছ?
শ্রীকান্ত অবাক। মহিলা তাকে চিনল কী করে? পরদিন সালোয়ার-কামিজ পরে মাথায় পরচুলা লাগিয়ে মেয়ে সেজে রাস্তায় বের হল। সেই মহিলার সাথে আবার দেখা। বলল, কি শ্রীকান্ত, কোথায় যাচ্ছ?
শ্রীকান্ত অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনি আমাকে চিনলেন কীভাবে?
মহিলা উত্তর দিল, আমি রবি শাস্ত্রী।


সামনেই অ্যাশেজ আসছে। প্রায় প্রতিটি অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার হাতে ইংল্যান্ডকে এমন নাকাল হতে দেখে বড় বিরক্ত হয়ে পড়েছিলেন ইংল্যান্ডের সাংবাদিকেরা।
শেষমেশ নিচের প্রশ্নোত্তরগুলো ছেপে দিয়েছিল একটি ইংলিশ পত্রিকা—
প্রশ্ন: একজন ইংলিশ ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ আশাবাদী কাজ কী?
উত্তর: সানস্ক্রিন মাখা। কারণ, রোদ মুখে লাগার আগেই তাঁরা ড্রেসিংরুমে ফিরে আসেন।
প্রশ্ন: ম্যাকগ্রা ইংল্যান্ডে জন্মালে কী হতেন?
উত্তর: ব্যাটিং অলরাউন্ডার। মনে রাখবেন, ম্যাকগ্রার ব্যাটিং গড় টেস্টে ৭.৩৬ ও ওয়ানডেতে ৩.৮৩!
প্রশ্ন: ইংলিশ ক্রিকেটারের হ্যাটট্রিক মানে কী?
উত্তর: ইংলিশ বোলারদের ডিকশনারিতে এখন আর ‘হ্যাটট্রিক’ বলে কিছু নেই। ব্যাটসম্যানদের কেউ পর পর তিন বলে রান পেলে সেটাই হ্যাটট্রিক।
প্রশ্ন: কোনো ইংলিশ ক্রিকেটারের নামের পাশে ১০০ রান দেখলে কী বুঝবেন?
উত্তর: সে অবশ্যই একজন বোলার।
প্রশ্ন: নাসের হুসেন, মার্ক রামপ্রকাশ, গ্রায়েম হিক, অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস, কেভিন পিটারসেনরা দলের বাকিদের চেয়ে কেন এগিয়ে থাকেন?
উত্তর: অন্তত এটুকু বলতে পারেন যে আমরা তো আসলে ইংলিশ নই।
প্রশ্ন: একজন ইংলিশ ক্রিকেটার কখন নিশ্চিত করে বলতে পারেন, এই ওভারে উইকেট পড়বেই?
উত্তর: যখন তাঁর হাতে ব্যাট থাকে।
প্রশ্ন: মাইকেল জ্যাকসন আর অ্যালেক স্টুয়ার্টের (সাবেক ইংলিশ উইকেটকিপার) মধ্যে মিলটা কী?
উত্তর: দুজনই হাতে দস্তানা পরতেন। যে দস্তানার কোনো ব্যবহার কেউ কখনো দেখেনি।


আইন-১: অস্ট্রেলিয়া যদি ‘x’ সংখ্যক রান করে, তাহলে ইংল্যান্ডকে জয়ের জন্য ‘x/২+১’ রান করতে হবে। অর্থাৎ ১২২ রানের জবাবে ৬২ রান করলেই জয়। আর ইংল্যান্ড আগে ব্যাট করলে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ের সময় ওভার-সংখ্যা অর্ধেক করে দেওয়া হবে। তার পরও অস্ট্রেলিয়া জিতে গেলে ইংল্যান্ডকে ‘মনস্তাত্ত্বিক বিজয়ী’ ঘোষণা করা হবে।

আইন-২: ইংল্যান্ড যখন ফিল্ডিং করবে, কোনো ফিল্ডার বল ছোঁয়ামাত্র বল ‘ডেড’ হয়ে গেছে বলে ধরে নেওয়া হবে। ব্যাটসম্যানরা আর রান করতে পারবে না।

আইন-৩: ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রতি তিনটি নিশ্চিত আবেদনে একটির বেশি আউট দেওয়া চলবে না। বিপক্ষ ব্যাট করার সময় নিয়মটা উল্টে যাবে। আবেদন ছাড়াও দু-চারটে আউট দেওয়া যেতে পারে।
 
স্বর্গ ও নরকের মধ্যে ক্রিকেট ম্যাচ হবে। তাই খুব উত্তেজনা। দুই পক্ষই যার যার দল নিয়ে খুব আশাবাদী। ঈশ্বর অবাক হয়ে শয়তানকে প্রশ্ন করলেন, ‘তুমি জয়ের আশা করছ কীভাবে? সব ভালো খেলোয়াড় তো স্বর্গে আছেন।’ শয়তান মুচকি হেসে জবাব দিল, ‘তাতে সমস্যা নেই। সব আম্পায়ার তো আমার ওপাশে।’



সৌরভ গাঙ্গুলী অধিনায়কত্ব আর দলে জায়গা হারিয়ে তখন খুব বিপাকের মধ্যে আছেন। সেই সময় তাঁর মনের কথা বের করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছিলেন কলকাতার এক ক্রীড়াসাংবাদিক। অনেক দিন চেষ্টা করার পর সৌরভকে পেলেন সাক্ষাত্কারে। সাক্ষাত্কারটা ছিল এ রকম—
: ভারতের খেলা দেখছেন?
সৌরভ: দেখছি তো!
: বলা হচ্ছে দ্রাবিড়কে আর অধিনায়ক রাখা হবে না। আপনার কী মনে হয়?
সৌরভ: এটা তো আমার ব্যাপার না। এটা বোর্ডের ব্যাপার।
: বোর্ড যদি এখন দ্রাবিড়কে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেয়?
সৌরভ: তাতে আমার কী বলার আছে। এটা বোর্ড আর দ্রাবিড়ের ব্যাপার।
: আপনাকে যদি আবার অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়?
সৌরভ: দেখুন, আমি এখন দলেই নেই। অধিনায়কত্ব নিয়ে ভাবছি না।
: না, ধরুন আপনাকে আবার ভারতের অধিনায়ক করা হলো।
সৌরভ: আগে করা হোক, তারপর ভাবব।
: আপনাকে অধিনায়ক করা হলে, সেটা মেনে নেবেন না?
সৌরভ: কেন মেনে নেব না! ভারতের মতো দলের অধিনায়ক হতে কে না চায়!
পরদিন সংশ্লিষ্ট পত্রিকার ক্রীড়া পাতার শিরোনাম—‘অধিনায়কত্ব ফেরত চান সৌরভ!’


ভারতীয় এক টেলিভিশন সাংবাদিক প্লাস ধারাভাষ্যকার। যত না ক্রিকেটজ্ঞান, তার চেয়েও বেশি আলোচিত তিনি সাজপোশাকের কারণে। ওই ভদ্রমহিলাকে একবার এক সাংবাদিক নাকি জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘সেকেন্ড স্লিপ বলে কোনটাকে?’ ভদ্রমহিলা দিব্যি উত্তর দিয়ে দিয়েছিলেন, ‘কোনো ফিল্ডার ক্যাচ ধরতে গিয়ে পর পর দুবার বল ফেলে দিলে, সেটাকে সেকেন্ড স্লিপ বলে।’ ভাগ্যিস ‘সেকেন্ড স্লিপ’ মানে ভদ্রমহিলা ‘দ্বিতীয় ঘুম’ ভাবেননি!


একবার এক সাংবাদিক ব্রায়ান লারার পেছনে লাগলেন সাক্ষাত্কারের জন্য। লারা কিছুতেই সাক্ষাত্কার দেবেন না। আর সাংবাদিকও নাছোড়বান্দা। শেষ পর্যন্ত রফা হলো—সাংবাদিকটি একটি মাত্র প্রশ্ন করতে পারবেন। সে প্রশ্নটা লারার জন্য সবচেয়ে বিব্রতকর হলেও সমস্যা নেই, তিনি জবাব দেবেন।
সাংবাদিক ভদ্রলোক লারার জীবনের আদ্যোপান্ত ঘেঁটে দেখলেন, তাঁকে চরম বিব্রত করার মতো একটি প্রশ্ন আছে। লারা একবার স্টিভ ওয়াহর সঙ্গে মাঠে বসে খুব তর্কাতর্কি করেছিলেন। বলা হয়, কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে লারা তাঁকে বাজে একটা গালিও দিয়েছিলেন। এ ব্যাপারটা এবার ফাঁস করতে চান ওই সাংবাদিক ভদ্রলোক।
একগাল হেসে ভদ্রলোক প্রশ্ন করলেন, ‘স্টিভ ওয়াহ আপনাকে গালি দেওয়ার পর আপনি কী বলেছিলেন?’ লারা একগাল হেসে বললেন, ‘‘প্রথমে বলেছি, ‘হাই স্টিভ’।” সাংবাদিকটি এবার জিজ্ঞেস করলেন, ‘তারপর কী বললেন?’ লারা ততক্ষণে চেয়ার ছেড়ে উঠে গেছেন, ‘আপনার একটাই প্রশ্ন করার কথা ছিল। সেটা হয়ে গেছে।’

একবার ঢাকায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ ম্যাচ হারার পর এমন আক্রমণের শিকার হয়েছিলেন বাংলাদেশের এক ব্যাটসম্যান। নামটা না হয় না-ই বলি। প্রথম বলেই এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন ব্যাটসম্যানটি। নানা রকম প্রশ্ন ছুটে আসছে আর মাথা নিচু করে কোনোমতে আত্মরক্ষা করছেন ব্যাটসম্যানটি। হঠাত্ এক সাংবাদিক হাত উঁচু করে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি পা দিয়ে বলটা খেলতে গেলেন কেন! খেলাটা যে ফুটবল নয় ক্রিকেট, সেটা কি ভুলে গিয়েছিলেন?


এবার কাউন্টি ক্রিকেটের ঘটনা। এক ফিল্ডার গোটা চারেক ক্যাচ মিস করার পরই বুঝেছেন, আজ তাঁর রক্ষা নেই। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের জটলা দেখে আগে থেকেই বললেন, ‘ভাই, আমি কথা বলতে পারব না। আমাকে ট্রেন ধরতে হবে।’ সবাই ছেড়ে দিলেও একটা মন্তব্য উড়ে এল, ‘কোলের কাছের বল ধরতে পারলেন না, স্টেশনের ট্রেন কি ধরতে পারবেন?’



খুব বাজে শট খেলে এক ব্যাটসম্যান আউট হয়েছেন। দুর্ভাগ্যবশত তিনিই আবার দলের অধিনায়ক। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে একেবারে জেরবার অবস্থা ওই অধিনায়কের। না পেরে শেষ পর্যন্ত অধিনায়কটি বললেন, ‘আমার জীবনে এর চেয়ে খারাপ শট আমি কখনো খেলিনি।’ এক সাংবাদিক দাঁড়িয়ে বললেন, ‘আপনি বলতে চাচ্ছেন যে, এর আগেও আপনি কখনো ক্রিকেট খেলেছেন!’


ব্যাটসম্যান সজোরে ব্যাট চালালেন, ছক্কা হওয়ার সম্ভাবনা। কিনননতু ন্নাআআ…বোল্ড!
মেঘমুক্ত মাঠ, কর্দমাক্ত আকাশ, পিচের ওপর দিয়ে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি বয়ে যেতে পারে।
মাঠ চলে গেল বলের বাইরে। দুঃখিত, দর্শকমণ্ডলী, আমি একটু আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম। আসলে বল চলে গেল সীমানার বাইরে।
বাংলাদেশের আশার ফুল আশরাফুল কিন্তু এখন ক্রিজে। সারা দেশের মানুষ তাঁর ব্যাটের দিকে তাকিয়ে আছে।
বল হাতে নিয়ে ছুটে আসছেন জয়ের মূল এনামুল, বল হাতে তাঁর মতো ভয়ানক বোলার কিন্তু আমি খুব কমই দেখেছি। আজ কিন্তু যেকোনো কিছু ঘটে যেতে পারে।
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হলে আমরা আজ আবার আগের মতো ফলই হয়তো দেখতে পাব।